ষষ্ঠ বাংলাদেশ আদমশুমারি ও কিছু প্রশ্ন

মাহবুবুর রব চৌধুরী, টরেন্টো

১৫ থেকে ২১ জুন, ২০২২- হতে যাচ্ছে ষষ্ঠ বাংলাদেশ আদমশুমারি।
আদমশুমারি একটি দেশের জনসংখ্যার সরকারি গণনা। জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে আদমশুমারি একটি দেশের এবং একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সংখ্যা গণনা করা ও তা সংরক্ষণ রাখা। এই প্রক্রিয়ার মাঝে দেশের জনসংখ্যার উপর একটি সামগ্রিক তথ্য চিত্র সংগ্রহ করে সেটি একত্রীকরণ করা হয় এবং একই সঙ্গে তা উপযুক্ত ভাবে সংরক্ষণ ও প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়।
অর্থনৈতিক, সামাজিক ও উন্নয়নের সার্বিক পরিকল্পনায় এই তথ্যাদি আবশ্যিক প্রয়োজন। বিশ্বে ভূ রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও এর ণ্ডরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে পরিসংখ্যান ছাড়া পরিকল্পনা এবং পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন প্ল্যান করা সম্ভব নয়। শুমারির ইতিহাস অনেক অনেক পুরাতন। প্রাচীন মিশরে, ব্যাবিলনে, গ্রীক এবং রোমানরাও সুদূর অতীতে তাদের প্রয়োজনে শুমারি করত বলে জানা যায়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। (Bangladesh Bureau of Statistics.- BBS). এর অধীনে ষষ্ঠ বাংলাদেশ আদমশুমারি হতে যাচ্ছে। ষষ্ঠ শুমারিটি এর আগে তিন বার সময় দিয়েও পরে বিভিন্ন কারনে তা পিছিয়ে গিয়েছিল।
প্রথমে গত বছরের ২ থেকে ৮ জানুয়ারি ২০২১’- কে সময় হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা স্থগিত করা হয়। দ্বিতীয় দফায় তা ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর এবং তৃতীয় দফায় এটি ২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বরে করবার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সেটিও স্থগিত করা হয়।
সর্বশেষ এবার নতুন করে শুমারির সময় ঠিক করা হলো জুন, ২০২২’ সালে।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে প্রথমবার আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কেলেন্ডার অনুসারে তা হবার কথা ছিল ১৯৭১ সালে। তখন দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের মাঝে এটি’ হতে পারেনি। পরে সেটি হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। পরবর্তীতে ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ এবং সর্বশেষ ২০১১ সালে দেশে আদমশুমারি সময় মতই অনুষ্ঠিত হয়।
ইতিপূর্বে আদমশুমারির তথ্য, খাতা-কলমে বাড়ি বাড়ি যেয়ে সংগ্রহ করা হত। এবার সে সিস্টেমটি চেঞ্জ করা হয়েছে। এবার মূলত তা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। অর্থাৎ এবার তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ডিজিটালি। এছাড়াও আরো কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের বিষয়ে স্বাভাবিক ভাবেই কিছু প্রশ্নও উঠেছে।
যেমন: ইতিপূর্বে সাধারণত জানুয়ারি থেকে মার্চের মাঝে এটা হত, এবার তা হতে যাচ্ছে জুনে বর্ষা মৌসুমে। তা ছাড়াও এবারই প্রথম বাংলাদেশে অবস্থানকারী বিদেশিদেরও শুমারির আওতায় আনা হচ্ছে। এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। আর সব কিছুই হতে যাচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। নুতন পদ্ধতি ও নুতন কিছু সিদ্ধান্ত প্রাসঙ্গিক ভাবেই তাই আসছে নুতন কিছু প্রশ্ন।
২০১৮ সনে রাজধানীর আগারগাঁও এ অবস্থিত ‘পরিসংখ্যান ভবনে’, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিটিং এ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো: নজিবুর রহমান এবং তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে ষষ্ঠ শুমারিটি সঠিকভাবে পরিচালিত হবার জন্য প্রথমবারের মতো একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হয়। মূলত সেই মাস্টার পরিকল্পনা অনুসারেই “ষষ্ঠ আদমশুমারি বাংলাদেশ” অগ্রসর হচ্ছে।
গত ২০১১ সালে- পঞ্চম বাংলাদেশ আদমশুমারিতে মোট ২৫টি প্রশ্নপত্র ছিল। এবার ষষ্ঠ আদমশুমারিতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে প্রশ্নপত্রের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। শুধু প্রশ্নপত্রেই নয়, এবারের আদম শুমারিটির’ বাজেটটিও এযাবৎ কালের বৃহৎ। ২০১১ এর পঞ্চম আদমশুমারির বাজেট ছিল ২৩৭ কোটি টাকা। এবার তা ১৭৬১ কোটি টাকার।
বাংলাদেশ, পাক, ভারত উপমহাদেশে ১৮৭২ সালে ব্রিটিশ আমলে সর্ব প্রথম আধুনিক সেনসাস এর শুরু। সে থেকে আজ পর্যন্ত প্রতি দশ বছর অন্তর প্রায় নিয়মিত ভাবেই এটি হচ্ছে।
এই আলোচনায়- ১৯৫১ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ, ভারত ও পশ্চিম বাংলার গত ৭ টি আদমশুমারি ও তার মাঝে দেখতে পাওয়া কিছু কমন বিষয় উল্লেখ করে এবং বিবেচনায় রেখে- ২০২১’ এ আমাদের আদমশুমারির সম্ভাব্য গতি প্রকৃতি কি হতে পারে তার পর্যালোচনা। এবং সেই প্রেক্ষাপটে বিশেষ ণ্ডরুত্বের কিছু দিক এবং কিছু প্রশ্নের উত্তর পাবারও চেষ্টাও থাকবে।
অনেক প্রশ্নের মাঝে মূলত ছয়টি বিষয় বিভিন্ন ভাবে বার বার উঠে আসছে।
এক: বাংলাদেশের প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলের, ডিজিটাল সুবিধা বঞ্চিত মানুষের এবং ভাসমান জনসংখ্যার সঠিক তথ্য ও শুমারির নিশ্চয়তা কি ভাবে নিরূপিত করা হচ্ছে?
দুই: ডিজিটাল এই ব্যবস্থার স্বচ্ছতা কি ভাবে নির্ধারিত হচ্ছে?
তিন: আদম শুমারিতে আসা নাম ঠিকানা এবং তথ্য চেক করবার উপায় কি?
চার: বাংলাদেশে অবস্থিত ১২ /১৩ লক্ষ রোহিঙ্গারাও কি বিদেশী হিসাবে এই তালিকা ভুক্তির আওতায় আসবে?
পাঁচ: কারা বিদেশী হিসাবে তালিকা ভুক্ত হবে? কিভাবে এই ক্যাটাগরি নির্ধারিত হচ্ছে? তালিকা ভুক্ত হবার পর তারা কি কোন ধরনের দেশি আই ডি কার্ড পাবে? ভবিষ্যৎ এ এই কার্ডের অজুহাতে বিদেশী কোন প্রকার চাপের বা বাধ্যবাধকতার সম্ভাবনা তৈরী হতে পারে কিনা? (কাতার, কুয়েত, সৌদিরা এইরূপ স্থায়ী কার্ড সমস্যায় প্রভাবশালী বিদেশিদের চাপের মাঝে আছে।)
ছয়: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। (Bangladesh Bureau of Statistics. – BBS). এর-থেকে সাধারণভাবে তথ্য পাবার সূত্র বা উপায় কি? ষষ্ঠ আদমশুমারির তথ্য পুস্তক, বুকলেট আকারে প্রকাশ হবে কিনা? এবং তা কিভাবে সংগ্রহ করা যাবে? প্রকাশিত তথ্য এ অসঙ্গতি বা ভুল থাকলে তা সংশোধনের কি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে? ইত্যাদি।
এই ছয়টি বিষয় ছাড়াও আরো একটি বিষয় ভাবনার। আর তা হল! বেশ কিছুদিন যাবৎ কয়েকটি হিন্দু সংগঠন দেশে পৃথক নির্বাচন ও সংখ্যা অনুপাতে সংসদে তাদের আসন দেবার দাবি তুলছেন। এরা একদিকে বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারের ফলে হিন্দুরা দেশ ত্যাগ করছে, দেশ দ্রুত হিন্দু শূন্য হতে চলেছে এই কথা বলছেন। আর অন্য দিকে একই সময় তারা শুমারিতে প্রকাশিত হিন্দু পার্সেন্টেজ বেশি করে, বেশি হারে বাড়িয়ে দেখাচ্ছেন এবং সেই অনুযায়ী বিবৃতি দিচ্ছেন। তারা ও তাদের অনুগত কিছু মানুষ দেশে এবং বিদেশে এই প্রচার চালাচ্ছেন।
গোবিন্দ প্রামাণিক সহ তাদের অনুগত কিছু ব্যক্তি ও সংগঠন বিভিন্ন স্থানে নিরলস কৌশলী বক্তব্য রেখে চলেছেন। উদ্দেশ্য মূলক ভাবেই তারা এটি করছেন। এ বিষয়টি নিয়ে তারা ইউটিউব সহ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতেও বক্তব্য রেখেছেন। এবং রেখে চলেছেন। তাদের পিছনের খুঁটির জোরও নাকি অনেক শক্ত। জাতীয় স্বার্থে বিষয়টি ণ্ডরুত্ব সহকারে দেখা প্রয়োজন।
দেশের প্রতিটি মানুষের জান ও মালের নিরাপত্তা, স্বস্তি, সন্মান সহ সকল মানবিক অধিকার রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। সেখানে ধর্মীয় সংখ্যা লঘুদের জন্যও একই অধিকার বজায় রাখবার দায়িত্ব ও তাদের। যেকোন ন্যায অধিকার ক্ষুন্ন হলে তা প্রতিষ্ঠা এবং তা ফিরিয়ে দেবার দায়িত্বও সরকারের। ন্যায অধিকার বঞ্চিত করে- অন্যায় কিছু প্রদান সমস্যার প্রকৃত সমাধান নয়।
তুলনা মূলক ভাবে সারা বিশ্বেই মুসলিম শিশু জন্ম হার বেশি। বাংলাদেশেও চিত্রটি একই। তাই মুসলিম গড় হার বৃদ্ধি এখানে স্বাভাবিক। অন্য সব ফ্যাক্টর বাদ দিলেও এটিই মুখ্য। এটিই বাংলাদেশের বাস্তবতা। বিষয়টি বুঝতে পারাটাও কঠিন কিছু নয়।
২০ মাইল স্পীডে ছুটে চলা একটি ঘোড়ার পক্ষে একই গতিতে চলে -তার সামনে ছুটে চলা ৪০ মাইল স্পীডের ঘোড়াটিকে ছোয়া বা অতিক্রম করা বাস্তবে অসম্ভব, অবাস্তব। এইরূপ অবাস্তব কিছু যেন ষষ্ঠ শুমারিতে দেখতে না হয়। বাংলাদেশে ২০২১ এর আদমশুমারিতেও অর্থাৎ পরবর্তী সেন্সাসেও মুসলিম জনসংখ্যার গড় হার, গত সেন্সাসের গড় ৯০.৩৯% থেকে আবারও পুনঃ বৃদ্ধি হওয়াটাই স্বাভাবিক। গোবিন্দ প্রামানিকেরা এ বিষয়টিই উল্টে দিতে- প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাস্তবে যা সম্ভব নয় তবে তারা প্রশাসনিক দুর্বলতার দিক ণ্ডলি জেনে ভিন্ন কোন পথ নিয়েছেন কিনা সেটিই প্রশ্ন! এখানে বাংলাদেশ, পশ্চিম বাংলা ও ভারতের বিগত ৭টি শুমারির গতি প্রকৃতির নিরিখে একথা বলাই যায় বিপরিত কিছু হটাৎ করে ঘটবার কোন কারন নেই।
১৯৫১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত- বাংলাদেশের গত সাতটি আদমশুমারির চিত্রে দেখা যায় বিভিন্ন কারনে দেশে গড়ে প্রায় ২% হারে হিন্দু জন সংখ্যা কমছে । চিত্রটি এইরূপ।
বাংলাদেশের পূর্ববর্তী ৭টি আদমশুমারি (১৯৫১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত) অনুযায়ী হিন্দু জনসংখ্যার শতকরা হার এইরূপ ছিলো।
১৯৫১ সালে ২২%! ১৯৬১ সালে ১৮.৫%! ১৯৭৪ সালে ১৩.৫%! ১৯৮১ সালে ১২.১%! ১৯৯১ সালে ১০.৫%! ২০০১ সালে ৯.২%! এবং ২০১১ সালে ৮.৫৪%!!!
এই একই সময় আমরা পশ্চিম বাংলাতেও দেখতে পাই হিন্দু জন সংখ্যার গড় ক্রমহ্রাসমান ধারাতেই হয়েছে। এখানে চার্টে আমরা তা দেখতে পাব।
১৯৫১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত- ভারতের আদম শুমারিতে পশ্চিম বাংলায় হিন্দু জনসংখ্যার শতকরা হার- গত ৭টি শুমারি অনুসারে এইরূপ।
১৯৫১ সালে ৭৮.৪৫%! ১৯৬১ সালে ৭৮.৮০%! ১৯৭১ সালে ৭৮.১১%! ১৯৮১ সালে ৭৬.৯৬%! ১৯৯১ সালে ৭৪.৭২%!
২০০১ সালে ৭২.৪৭%! ২০১১সালে ৭০.৪৩ %!
অপর দিকে ১৯৫১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত- গত ৭টি শুমারি অনুসারে বাংলাদেশে মুসলিম জনসংখ্যার হারটি ছিল এইরূপ।

Muslim: 1951′-78.9%!
Muslim: 1961′-80.4%!
Muslim: 1974′-85.4%!
Muslim: 1981′- 86.6%!
Muslim: 1991′- 88.3%!
Muslim: 2001′- 89.7%!
Muslim: 2011′- 90.39%!
Religion in Bangladesh 2011 Census.
A. Islam (90.39%),
B. Hinduism (8.54%),
C. Buddhism (0.60%)
D. Christianity (0.37%),
E. Others (0.14%)
এই চার্ট ণ্ডলি আলোচনা-পর্যালোচনায় দেখা যায় বাংলাদেশে ১৯৫১’র আদমশুমারিতে যেখানে হিন্দু জনসংখ্যার শতকরা হার ছিল ২২% তা ৭টি আদমশুমারির শেষটি- ২০১১তে হয়েছে ৮.৫৪% অর্থাৎ ১৪% কম। এভারেজ প্রতিটি শুমারিতে ২% কম। অপর দিকে একই সময়কালে ১৯৫১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত- ভারতের আদম শুমারিতে পশ্চিম বাংলায় হিন্দু জনসংখ্যার শতকরা হার ১৯৫১’র আদমশুমারির ৭৮.৪৫% থেকে ৭টি আদমশুমারির শেষটি ২০১১-র শুমারিতে এসে দাঁড়িয়েছে- ৭০.৪৩% অর্থাৎ দশবছর অন্তর ৭টি শুমারিতে গড়ে ১% এর উপর হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে।
তুলনা মূলকভাবে সারা বিশ্বেই মুসলিম শিশু জন্ম হার বেশি। বাংলাদেশেও মুসলিম গড় হারে বৃদ্ধি তাই স্বাভাবিক। অন্য সব ফ্যাক্টর বাদ দিলেও এটিই বাংলাদেশের বাস্তবতা। বিষয়টি বোঝা কঠিন কিছু নয়। ২০ মাইল স্পীডে ছুটে চলা একটি ঘোড়ার পক্ষে একই গতিতে চলে -তার সামনে ছুটে চলা ৩০ মাইল স্পীডের ঘোড়াটিকে ছোয়া বা অতিক্রম করা বাস্তবে অসম্ভব, অবাস্তব।
এই সূত্র অনুসারেই বাংলাদেশে ২০২১ এর আদমশুমারিতেও অর্থাৎ -পরবর্তী সেন্সাসেও মুসলিম জনসংখ্যার গড় হার, গত সেন্সাসের গড় ৯০.৩৯% থেকে আবারও পুনঃবৃদ্ধি হওয়াটাই স্বাভাবিক। ২০২১ এ বাংলাদেশের-পরবর্তী সেন্সাস এ যদি বিপরীত কিছু ঘটনা দেখান হয় তবে তা হবে নুতন এক অগ্রহন যোগ্য অসম্ভব, অবাস্তব কাহিনী।
আগামী শুমারিতে কেউ যেন অণেয্য ভাবে তাদের উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটাতে না পারেন তার জন্য প্রয়োজন সত্যিকার সঠিক গণনা। দেশে ট্রান্সপারেন্ট সিস্টেমের অভাব, উপযুক্ত সৎ মনিটরিং এর অভাব- দুর্নীতি গ্রস্থ আমলাতন্ত্রের এক অংশ কে ব্যবহার করে কেউ যেন তাদের নিজ উদ্দেশ্য চাপিয়ে দিতে না পারেন। এবং তার প্রতিফলন ঘটাতে না পারেন। এ জন্য চাই সংশ্লিষ্ট সর্ব মহলে দেশ প্রেমিক সচেতনতা!
মাহবুবুর রব চৌধুরী -টরন্টো, কানাডা
সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব টরন্টো।
(আহবায়ক-২০০০- উত্তর আমেরিকা বাংলাদেশ সম্মেলন- ফোবানা টরন্টো- কানাডা।
)