কনস্যুলার সেবা নিয়ে বাংলাদেশি-কানাডিয়ানরা ভোগান্তিতে

ভোরের আলো রিপোর্ট: প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে যাবেন শফিকুর রহমান। ডিসেম্বরের শেষ দিকে কানাডার টরেন্টোর বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল অফিসে নিজের কানাডিয়ান পাসপোর্টে ‘নো ভিসা’ করতে যান তিনি। কিন্তু গিয়ে শোনেন মেয়াদ আছে এরকম বাংলাদেশি পাসপোর্ট লাগবে। পুরনো পাসপোর্ট দেখালেও তাতে ণ্ডরুত্ব দেয়নি বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। তাই অনেকটা হতাশ হয়ে কনস্যুলেট ছাড়েন তিনি। নিয়মের বেড়াজালের কারনে শফিকুর রহমানের মতো এমন শত শত বাংলাদেশি কানাডার বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিস থেকে ফেরত আসছেন। নিজেদের ক্ষোভের কথা বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে বলছেন। কিন্তু তাতেও লাভ হচ্ছে না। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কয়েক দিন পর পর ‘নো ভিসা’ সহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবার নিয়ম পরিবর্তন করে চলেছে টরেন্টোস্থ’ বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল অফিস। শুরুতে পুরনো বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখালেই ‘নো ভিসা’ নেয়া যেত। কিন্তু এখন জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট, এনআইডি কার্ড বা মেয়াদ আছে এমন বাংলাদেশি পাসপোর্ট চাইছে বাংলাদেশি কনস্যুলেট অফিস। এ কারনে বাংলাদেশিরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এদিকে অটোয়াস্থ’ বাংলাদেশ হাইকমিশনও নতুন নিয়ম চালু করেছে। পাসপোর্ট করাতে গেলে ফেসবুক, ইউটিউব বা টুইটারের তথ্য দিতে হবে। এনিয়েও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে। তারা বলছেন, আগ বাড়িয়ে অহেতুক নতুন নতুন নিয়ম চালু করছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।