লিবারেল স্কারবো সাউথওয়েস্টের কমিটি, বাংলাদেশিদের জয়জয়কার

ভোরের আলো রিপোর্ট: কানাডার অন্টারিও প্রদেশের লিবারেল পার্টির স্কারবোরো সাউথ ওয়েষ্ট রাইডিং এসোসিয়েশনের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট- সেক্রেটারিসহ সবকটি পদেই বাংলাদেশি বাংশোদ্ভূত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। গত ৩ নভেম্বর স্কারবোরোর ভ্যারাইটি ভিলেজে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সৈয়দ আমিনুল ইসলাম প্রেসিডেন্ট এবং নাইমা ফেরদৌসী সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন। কমিটি’র অন্যান্য সব পদেও বাংলাদেশিরা নির্বাচিত হয়েছে। উল্লেখ্য, কানাডার মুলধারার রাজনৈতিক দলের কোনো ইউনিটে এই প্রথম বাংলাদেশি কানাডীয়ানদের দিয়ে পুরো কমিটি গঠিত হলো। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় কানাডার মূলধারার
প্রতিটি রাজনৈতিক দলের একটি ইউনিট থাকে। এই ইউনিট রাইডিং এসোসিয়েশন হিসেবে পরিচিত। সভাপতি পদে সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং ক্রিস ইয়াকাটো প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সৈয়দ আমিনুল ইসলাম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে আজিজুর মোল্লা এবং কমিউনিকেশন চেয়ার পদে ড. মোহাম্মদ হানিফ নির্বাচিত হন। এছাড়া চারটি ণ্ডরুত্বপূর্ণ পদে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন পলিসি চেয়ার পদে সুমন রায়, সংগঠন ও নির্বাচনী প্রস্তুতি চেয়ার পদে মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন, যুব চেয়ার পদে কৌমিতা সাতকুনারাজন এবং তহবিল সংগ্রহ বিষয়ক চেয়ার ফারহানা খান। রাইডিং এসোসিয়েশনের নতুন প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আমিনুল ইসলাম এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা বাংলাদেশি কমিউনিটি অন্য সব কমিউনিটির চেয়ে বেশি শক্তিশালী। এটা আবারও প্রমাণ হয়েছে। আমরা দেখিয়ে দিয়েছি মূল ধারার রাজনীতিতে আমাদের বাদ দেওয়ার আর সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশি কানাডীয়ানরা মূলধারার রাজনীতির প্রতি অধিকতর আগ্রহী হচ্ছে- এটি অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। রাইডিং এসোসিয়েশনের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লিবারেল সমর্থক ভোট দিয়েছেন এবং নেতৃত্ব নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছেন। আমি ভোট দিয়ে নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য সকল সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি সবাইকে সাথে নিয়ে স্কারবোরো সাউথওয়েষ্টে লিবারেল পার্টির অবস্থান সুসংহত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবো। এজন্য সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। উল্লেখ্য, সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বর্তমানে রিয়েল এষ্টেট এজেন্ট। কানাডায় আসার আগে তিনি বাংলাদেশ, সৌদি আরব এবং অস্ট্রেলিয়াতে একজন শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়া ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতির সাথেও যুক্ত ছিলেন।