আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাতে হবে
—-টরেন্টোতে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন

ভোরের আলো রিপোর্ট: বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, সারা বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিদায়ের সুর উঠেছে। এ সুরের সাথে আমাদের নিবেদিতপ্রাণ প্রবাসীরা ভাইদেরও একাত্ম হতে হবে। তাহলেই আওয়ামী লীগ নামক দানবের বিদায় ঘন্টা বাজবে। গত রবিবার টরেন্টোর আলমানি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এসব কথা বলেন। কানাডা বিএনপি নেতা আহাদ খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জাকারিয়া রশীদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন ইঞ্জিনিয়ার রেজাউর রহমান, মাহবুবুর রব চৌধুরী, রেশাদ চৌধুরী, ফারুক খান, এজাজ আহমেদ খান, সৈয়দ তপন মাহমুদ, জাকির খান, ডক্টর মুহাম্মদ হানিফ উদ্দিন, ডাঃ সিরাজুল হক চৌধুরী, প্রকৌশলী শরিফ খান, মঈন চৌধুরী, মহিলা দলের নাজমা হক, রিমন ইসলাম, হাজী সেলিম রহমান, আবুল কালাম আজাদ, আবু জাহেদ আলম, গোলাম রনি, মাহবুব চৌধুরী রনি, রাসেল সিদ্দিকী, শেখ হাসিব হোসেন, জাহেদ আহমদ, ডাঃ শীবলি নুমানি, মিজানুর রহমান চৌধুরী, প্রকৌশলী শহীদ উদ্দিন, আরিফ আহমদ, শহীদুর রহমান, আবদুল আলীম, জাহিদ ভুঁইয়া, প্রকৌশলী আবু জহির মুহাম্মদ সাকিব, এস. কে সোহেলুজ্জামান খান, আলী হোসেন, তারেক আহমদ, আব্দুল আলীম, সালাউদ্দিন আহমদ, এডভোকেড এম এ মালেক, প্রকৌশলী মফিজুর রহমান, নাহিদ আহমদসহ কানাডার টরন্টোতে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী প্রেমিকরা। আলোচনা সভায় বক্তারা, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলেও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবি সমিতিতে কয়েকবা নির্বাচিত হওয়ায় ধন্যবাদ জানানো হয়। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বিদেশে বসেও বাংলাদেশের অনাচার, অত্যাচারের কথা বলতে পারি না। কিছু বললে বা ফেসবুকে পোস্ট দিলে আমাদের আত্মীয়-স্বজনদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে ণ্ডমের শিকার হতে হয়। আওয়ামী লীগের মতো একটি ফ্যাসিস্ট সরকার খুন, ণ্ডম ও রাহাজানিতে সব সীমা অতিক্রম করেছেন। দেশপ্রেমিক জনতা এবার জেগে উঠেছে। আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরার আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। সহসাই আওয়ামী দুঃশাসনের অবসান হবে ইনশাল্লাহ। প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, দেশ নায়েক তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, দেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে। তাই রাজপথের আর কোন বিকল্প নেই। আমরা রাজপথেই হাসিনা সরকারকে বিদায় করবো। অনির্বািচিত সরকারকে বিদায় করে নির্বাচিত সরকারকে বসাবো। সেদিন বেশি দূরে নয়। তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারনে বাংলাদেশের মানুষের এখন নাভিশ্বাস অবস্থা। তিনি বলেন, বিরোধী কন্ঠকে স্তব্ধ করতে নির্যাতনের চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। ণ্ডম-বিচারবহির্ভূত হত্যা-মামলা-হামলা-নির্যাতন চালাচ্ছে। আজকে দেশে গণতন্ত্র নেই, মানুষের ভোটাধিকার নেই, কথা বলার অধিকার নেই। এজন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে এদেরকে বিদায় করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আলোচনা পর্ব শেষে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও রাজপথে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।