এসোসিয়েশন অফ মন্ট্রিয়লের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন


গত ২৬ শে মার্চ শনিবার ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ মন্ট্রিয়ল মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করে। দীর্ঘ দুই বছর পর কুইবেকে কোভিড নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ায় স্বাধীনতা দিবসের এ আয়োজনে সর্বস্তরের মানুষের বাঁধভাঙা উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পার্ক এক্স এর ‘পার্কভিউ’ হলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের উপর আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের ব্যবস্থা করা হয়।

জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির শুভ সূচনা করা হয় এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবৃন্দ স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। আলোচকদের মধ্যে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রাক্তন সভাপতি গাজী কামরুল হাসান, সংগঠনটির ব্যবস্থাপক হাসান জাহিদ কমল, শফিয়াল মাহমুদ সমীর, সিনিয়র সহ সভাপতি সরকার নাসিম, প্রাক্তন সভাপতি শামীমুল হাসান, বরিশাল সমিতির সভাপতি সালাম মোল্লা, রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী রশিদ খান, আমান উল্লাহ, বিক্রমপুর সমিতির সাবেক সভাপতি সামাদ খান নান্টু, ইশরাত আলম, সাকি শারমীন, হুরপরী মেলার সত্ত্বাধিকারী আয়শা হুসেইন। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মমতাজ পাপিয়া শুভেচ্ছা বক্তব্য এবং সভাপতি রনি মালিক সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন। আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শানু আলম, সাইফুল পাটোয়ারী, সংগঠনটির সহ সভাপতি শামীম আরা ভূঁইয়া, কার্যকরী পরিষদের সদস্য ইন্দ হাসান, মাহফুজুর রহমান, মেহেদী জামান, রায়হান ইবনে হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সিটি কাউন্সিলর মেরি ডেরস ও মূলধারার রাজনীতিবিদ রোমেন আলম।


এরপর সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু হয় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক বুশরা হোসেন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জেনিফার গোমেজ এর সঞ্চালনায়। সাংস্কৃতিক পর্বে অংশগ্রহণ করেন শিশু শিল্পী শৈলী, আরিনা ও সৌমিক। কবিতা পাঠ করেন রা¯œা ইরিন, রশিদ খান ও রাঙ্গা। গান পরিবেশন করেন সুইটি বড়–য়া, ইভানস গোমেজ, এন্থনী প্রবীর গোমেজ, আজিজ রহমান, শাহ আলম, মোঃ মাহমুদ এবং তবলায় ছিলেন লিটন ডি কস্টা। নৃত্য পরিবেশন করেন প্রীতি, স্মৃতি ও নক্ষত্র। সবশেষে সাংস্কৃতিক পর্বের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন উইন্ডসর থেকে আগত অতিথি শিল্পী দীপ্তি জাহান। তার সুরেলা কণ্ঠে দেশাত্মবোধক গান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্য্যপূর্ণ করে তুলে।

সংগঠনটির সভাপতি রনি মালিক সমাপনী বক্তব্যে মন্ট্রিয়লের সংগঠকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ শক্তিশালী একটি বাংলাদেশী কমিউনিটি চাই। একই দিনে একাধিক সংগঠনের অনুষ্ঠান করা থেকে বিরত থাকি, একে অপরকে সহযোগিতা করে কমিউনিটিকে শক্তিশালী করি এবং সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসি।