পাচারের টাকায় ঋণ শোধ করছে বিসমিল্লাহ গ্রুপ!

ওবায়দুল্লাহ রনি

জালিয়াতির মাধ্যমে জনতাসহ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পাচার করে বিসমিল্লাহ গ্রুপ। এ কারণে ২০১২ সাল থেকে গ্রুপটির এমডি খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী সপরিবারে পলাতক। অর্থ পাচারে দুদকের মামলায় সোলেমান আনোয়ারসহ ৯ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে। আসামিদের দেশে ফেরাতে রেড অ্যালার্ট জারির নির্দেশনাও দিয়েছেন আদালত। অথচ বিসমিল্লাহ গ্রুপের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া বিশেষ সুবিধায় মাত্র ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট নিয়ে কম সুদে ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল করেছে রাষ্ট্র মালিকানার জনতা ব্যাংক। এ জন্য প্রায় ৬শ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করা হয়েছে। ভয়াবহ তথ্য হলো, পাচার করা অর্থ থেকে বিদেশে জনতা ব্যাংকের হিসাবে ১২ কোটি টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়েছেন সোলেমান আনোয়ার, যা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি এবং ব্যাংকিং নিয়মাচারের পরিপন্থি।
বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ চেয়ে গত ৩১ আগস্ট ও ২০ অক্টোবর জনতা ব্যাংকের এমডির কাছে আবেদন করেন খাজা সোলেমান আনোয়ার। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১২ সালে তারা বিদেশে থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীদের জাল-জালিয়াতি, রপ্তানি আদেশ বাতিল ও অভ্যন্তরীণ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। এখন রপ্তানি কার্যক্রম চালু, ৪ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান ও ব্যাংকের সঙ্গে সুসম্পর্ক পুনঃস্থাপনের জন্য তিনি ঋণ নিয়মিত করতে চান। এ জন্য আরোপিত সুদের ৫০ শতাংশ এবং অনারোপিত সুদের শতভাগ মওকুফ, এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১২ বছরের জন্য পুনঃতফসিলের আবেদন করেন।
সোলেমান আনোয়ারের আবেদন পাওয়ার কয়েক দিনের মাথায় গত ৩ নভেম্বরের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে তা উত্থাপন করেন ব্যাংকের এমডি। ঋণটি নিয়মিত করার যুক্তি হিসেবে দেখানো হয়, আদায় অনিশ্চিত ঋণ নিয়মিত করলে ব্যাংকের আয় বাড়বে। অবলোপন করা খেলাপি ঋণ কমবে। আবার মামলার মাধ্যমে ঋণ আদায়ে দীর্ঘসূত্রতার পরিবর্তে দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। প্রথম বৈঠকে পর্ষদ থেকে কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়। তবে গত ১৭ নভেম্বরের পর্ষদ সভায় গত বছরের সেপ্টেম্বরের পর থেকে সুদ হিসাব বন্ধ রেখে ১০ বছর মেয়াদে ত্রৈমাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের সুযোগ অনুমোদিত হয়।
বিসমিল্লাহ গ্রুপ জনতা ব্যাংকের তিনটি শাখা থেকে ভুয়া এফডিবিপিসহ বিভিন্ন উপায়ে ঋণের নামে ২০১২ সাল পর্যন্ত মোট ৫২৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে। অনারোপিত সুদসহ ব্যাংকের পাওনা ছিল প্রায় ১১শ কোটি টাকা। এর মধ্যে মগবাজার করপোরেট শাখায় গ্রুপটির মালিকানাধীন হিন্দোলওয়ালী টেক্সটাইলের নামে ঋণ রয়েছে ৪২০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ২২২ কোটি ৬১ লাখ টাকার সুদ মওকুফ করেছে ব্যাংক। বাকি ১৯৮ কোটি টাকা দশ বছর মেয়াদে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ডাউন পেমেন্ট হিসেবে সোলেমান আনোয়ার ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন বিদেশ থেকে। এলিফ্যান্ট রোড করপোরেট শাখার গ্রাহক সেহরিন টেক্সটাইলের ঋণের পরিমাণ ৫২ কোটি ৩ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ৩০ কোটি ৯১ লাখ টাকার সুদ মওকুফ করা হয়েছে। এ জন্য ডাউন পেমেন্ট বাবদ বিদেশ থেকে ৭০ লাখ ২৩ হাজার এবং আইন খরচ বাবদ ২ লাখ ২৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে। জনতা ভবন করপোরেট শাখা থেকে আলফা কম্পোজিট ঋণ নেয় ৩৩৩ কোটি টাকা। অনারোপিত সুদসহ ঋণের পরিমাণ প্রায় ৭শ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে সাড়ে ৩শ কোটি টাকার সুদ মওকুফ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ডাউন পেমেন্ট বাবদ বিদেশ থেকে ৮ কোটি টাকা জমা দিয়েছেন সোলেমান আনোয়ার। এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সুদ মওকুফ-পরবর্তী ঋণ পরিশোধে ১০ বছর সময় দিয়েছে ব্যাংক। আগামী ১০ বছর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরভিত্তিক তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় বিবেচনায় ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ হারে সুদ নেওয়া হবে।
ভুয়া ফরেন ডকুমেন্টারি বিল তৈরি করে জনতাসহ পাঁচটি ব্যাংক থেকে এক হাজার ১৭৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডি সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান নওরীন হাবিবসহ ৫৪ জনকে আসামি করে ২০১৩ সালে ১২টি মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিলে আদালত আমলে নিয়ে ২০১৬ সালে বিচার শুরু করেন। শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর অর্থ পাচারের মামলায় বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডি খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান নওরীন হাবিব, পরিচালক শফিকুল আনোয়ার চৌধুরীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ১০ বছর করে কারাদ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের ৩০ কোটি ৬৭ লাখ টাকার অর্থদ দেওয়া হয়। দণ্ডিত অন্য আসামিরা হলেন- গ্রুপের ডিএমডি আকবর আজিজ মুতাক্কি, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী, ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, নেটওয়ার্ক ফ্রেইট সিস্টেমের চেয়ারম্যান মো. আক্তার হোসেন, জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ খান এবং এস এম শোয়েব-উল-কবীর। রায়ের পর ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর হয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করলে তাও নামঞ্জুর করেন আদালত। এ ছাড়া পলাতক ৭ আসামিকে ধরতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারির জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুছ ছালাম আজাদ সমকালকে বলেন, ঋণ পরিশোধের জন্য বিসমিল্লাহ গ্রুপকে ১০ বছর সময় দেওয়া হয়েছে। যা কিছু হয়েছে সবই নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়েছে। আইনগত চ্যানেলের বাইরে টাকা এলে তা নেওয়ার সুযোগ ব্যাংকের নেই। ঋণটা ফেরত আনার জন্য কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে মাত্র। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের প্রয়োজন না থাকায় নেওয়া হয়নি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ সমকালকে বলেন, বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঋণ সাধারণভাবে শ্রেণিকৃত কোনো ঋণ নয়। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে এই ঋণ বের করে নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ঋণ এভাবে নিয়মিত করা সমর্থনযোগ্য নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে।
ডাউন পেমেন্টের টাকা এলো কীভাবে :২০১২ সাল থেকে বিসমিল্লাহ গ্রুপের কোনো রপ্তানি নেই। আবার বৈধভাবে তার বিদেশে কোনো বিনিয়োগ নেই। এ অর্থ এলো কীভাবে তার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিসমিল্লাহ গ্রুপের ২০১২ সালের রপ্তানি বিলের বিপরীতে এসব অর্থ প্রেরণ দেখানো হয়েছে। এক্ষেত্রে হিন্দোলওয়ালী টেক্সটাইলের ঋণ পুনঃতফসিলের জন্য গত ৭ অক্টোবর তিনটি বিলের বিপরীতে ২ লাখ ৮ হাজার ১২১ ডলার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকে জনতার নস্ট্রো হিসাবে জমা হয়। আর গত ১১ অক্টোবর একই হিসাবে এক লাখ ৬০ হাজার ৪৪৭ ডলার জমা হয়। সেহরিন টেক্সটাইলের ঋণের বিপরীতে ৮৬ হাজার ৬১৩ ডলার জমা করা হয়। এর মধ্যে ২ লাখ ২৭ হাজার টাকা আইন খরচ এবং ৭০ লাখ ২৩ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট বাবদ সমন্বয় করা হয়। এ ছাড়া জনতা ভবন করপোরেট শাখার ঋণ পুনঃতফসিলের জন্য একই উপায়ে ৮ কোটি টাকা জমা হয়েছে। সব অর্থই ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকে জনতা ব্যাংকের নস্ট্রো হিসাবে জমা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কেএসসি টেক্সটাইল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাস মিডলইস্ট এফজেডই নামের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এসব অর্থ জমা দেয়। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত অনুযায়ী, বিসমিল্লাহ গ্রুপের এসব প্রতিষ্ঠান ওই সময়ে কোনো রপ্তানি করেনি। ভুয়া রপ্তানি বিল জমা দিয়ে তারা ব্যাংকের টাকা মেরে দেয়।
সমকালের অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, বাংলাস মিডলইস্ট কাগুজে প্রতিষ্ঠান। বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডি খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরীর শতভাগ মালিকানাধীন। কোম্পানির তথ্য সরবরাহের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডান অ্যান্ড ব্রাডস্টিটের (ডিঅ্যান্ডবি) তথ্যমতে, বাংলাস মিডলইস্ট এফজেডই দুবাইয়ের শেখ জাহেদ রোডে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তার সংখ্যা মাত্র দু’জন। মূলত এই কোম্পানিতে কোটি কোটি টাকা রপ্তানি দেখিয়ে বিপুল অর্থ পাচার ও নগদ সহায়তা নেয় বিসমিল্লাহ গ্রুপ। যার সবই ভুয়া ছিল বলে ২০১১ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনে ধরা পড়ে। আবার বে-ইয়ার্ন নামের স্থানীয় সুতা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান থেকে সুতা নিয়ে টাওয়েল রপ্তানি দেখানো হয়েছিল। অথচ বে-ইয়ার্ন নামে কোনো কারখানার অস্তিত্ব পায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিসমিল্লাহ গ্রুপের জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ঋণের নামে অর্থ পাচারের বিষয়টি আদালতে প্রমাণিত। আবার এক টাকাও রপ্তানি না করে ভুয়া কাগজ তৈরি করে রপ্তানির নামে নগদ সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি ২০১১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে ধরা পড়ে। তখন নগদ সহায়তার ২০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ফেরত আনার জন্য নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ওই সময়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন সোলেমান আনোয়ার। তার রিটের বিরুদ্ধে দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের পক্ষে রায় দেন আদালত। যে কারণে ব্যাংকের হিসাব থেকে এরই মধ্যে অর্থ কেটে সরকারি কোষাগারে জমা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আবার পাঁচটি ব্যাংক থেকে এক হাজার ১৭৪ কোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায়ও দণ্ড হয়েছে। এ রকম প্রতিষ্ঠানের অসমন্বিত রপ্তানি বিল যে অবৈধ, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। এ রকম বিলের বিপরীতে অর্থ নেওয়ার সুযোগ ব্যাংকের নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, ঋণ পুনঃতফসিলের নির্ধারিত সার্কুলার রয়েছে। ওই সার্কুলারের বাইরে কাউকে সুবিধা দিতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনাপত্তি নেওয়া আবশ্যক। জালিয়াতিতে প্রমাণিত ব্যক্তির ঋণ এভাবে পুনঃতফসিল এবং সুদ মওকুফের এখতিয়ার ব্যাংকের নেই। বিসমিল্লাহ গ্রুপ কোনো রপ্তানি না করে অর্থ পাচার, ভুয়া কাগজের বিপরীতে ঋণ ও নগদ সহায়তা নিয়েছে। তাদের বকেয়া এলসির বিপরীতে ডাউন পেমেন্টের ১২ কোটি টাকা ব্যাংক কীভাবে জমা নিল, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। তবে পুরো ঘটনাটি অভিনব হওয়ায় ব্যাংকের বিরুদ্ধে করণীয় নির্ধারণে বাংলাদেশ ব্যাংক আইনজীবীর মতামত নিয়ে শিগগিরই ব্যবস্থা নেবে।
সার্বিক বিষয়ে বিসমিল্লাহ গ্রুপের বক্তব্যের জন্য বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তবে ২০১২ সালে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, তার কারখানায় উৎপাদিত সব তোয়ালে নিয়ম মেনেই রপ্তানি হয়েছে। আর বাংলাস তার নিজের প্রতিষ্ঠান নয়।
কেন ঋণ নিয়মিত করার উদ্যোগ : বিদেশে পাচার করা সব সম্পদ হারানোর ভয়ে তড়িঘড়ি করে খাজা সোলেমান ঋণ নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। সাধারণত কোনো দেশের আদালতে অর্থ পাচার প্রমাণিত হওয়ার পর অন্য দেশে দিলে সেখানে পুরো অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়। মূলত এ আতঙ্কেই বিসমিল্লাহ গ্রুপ তড়িঘড়ি করে ঋণ নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা সংশ্নিষ্টদের ধারণা।

সূত্রঃসমকাল

 

এমন আরো সংবাদ

একটি উত্তর দিন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন !
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

সর্বশেষ সংবাদ