`বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে কানাডা বিএনপি’র ভার্চুয়াল আলোচনা

ভোরের আলো রিপোর্ট: ১৯৭৫ সালের ৭ ই নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন সিপাহী-জনতা। এ সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনের বিশৃঙ্খলাসহ বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে। আবারও সময় এসেছে এমন একটি বিপ্লবের। গত ৮ ই নভেম্বর রাতে কানাডা বিএনপি আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। কানাডা বিএনপি নেতা আহাদ খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জাকারিয়া রশীদ চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. জসীম উদ্দীন আহমদ, রেশাদ চৌধুরী, মাহবুবুর রব চৌধুরী, নুরুল ইসলাম, মঈন চৌধুরী, এজাজ খান, জাকির খান, সিরাজুল হক চৌধুরী, মাহবুব চৌধুরী রনি, নাজমা হক, এমএইচ মামুন, এস তপন মাহমুদ, আবু জহির মো. সাকিব, মিজানুর রহমান চৌধুরী, শহীদুর রহমান, আবদুল আলীম, এম, এ তারেক, আ. মান্নান ও মেহেদী ফারুকসহ। বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এ দিনে সৈনিক-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে। তাই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব অত্যন্ত তাৎপর্যমণ্ডিত। দেশমাতৃকার চরম সংকটকালে ১৯৭৫ এর ৩ নভেম্বর কুচক্রিরা জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে। এ অরাজক পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক এবং জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির স্ফুরণ ঘটে এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। সভায় বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহবান জানান এবং তাদের গোয়েবলসীয় মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান।