“প্রয়োজন – বাংলাদেশী কালচারাল রেভুলেশন। “

 মাহবুব রব চ্যেধুরী

 

সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখতেই এটি প্রয়োজন। এই পথে প্রথম পদক্ষেপ হবে দেশে একটি ইসলামিক কৃষ্টি কালচার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
কারন :
রুচি শীল সহজ সরল জীবন বোধ নিয়ে গড়ে উঠা -বাংলাদেশের আবহমান কালের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মুল্যবোধ। আজ গভীর সংকটে। বিদেশী বিশেষ করে ভারতীয় হিন্দি আগ্রাসন তার অন্যতম মূল কারন।
*
এই সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে এবং নিজস্ব স্বকীয়তা তুলে ধরা’ – ও, তা পুন্: প্রতিষ্ঠার জন্য – একটি আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক কৃষ্টি কালচার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা অত্যান্ত জরুরি ।
এই বিশ্ববিদ্যালয় একদিকে আমাদের অতীত এবং বর্তমানের মাঝে সেতু বন্ধন গড়ে তুলবে অন্য দিকে ভবিষ্যৎ সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্ব পূর্ন অবদান রাখবে।
*
ইসলামিক সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোন ভাবে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে – আমাদের স্বকীয়তা , নিজস্ব ঐতিহ্যের দিক গুলি তুলে ধরা সহজ হবেনা। এবং সম্ভব ও হবে না। কারন অচিরেই তা ভারতীয় ” সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের কুট চালে – ভারতীয় ভাব ধারার খপ্পরে পড়বে। এবং পুনঃ ওই ধারার অনুগামী হয়ে যাবে , অন্য সব সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গুলির মতই ।
*
কৌশল গত ভাবে তা ভারতীয় সাংস্কৃতির আগ্রাসন প্রতিরোধের অভিষ্ঠ লক্ষ অর্জনে ব্যর্থ হবে।
জাতীয় বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা অনুযায়ী আমাদের কৃষ্টি , সাংস্কৃতি এগিয়ে না যাবার কারণেই আজ সারা দেশ জুড়ে দ্রুত মূল্য বোধের অবক্ষয় ও নানা মুখী সংকট দেখা দিয়েছে। এই বিষয়টি – কে তুলনা করা যায় , দিন ব্যাপী কষ্টার্জিত – রাজনৈতিক অর্জন গুলি – দিন শেষে -কালো রাত্রির সাংস্কৃতিক অ্যাডভান্সমেন্টে বিসর্জিত হয়ে যাবার করুন পরিণীতির সাথে।
*
যত দিন পর্যন্ত না আমরা ভারতীয় আগ্রাসী সাংস্কৃতিক অ্যাডভান্সমেন্ট কে নিজস্ব স্বতন্ত্র স্বকীয় বৌশিষ্ট সম্পন্ন শক্তিশালী কালচারে দ্বারা প্রতিরোধ সক্ষমতায় উন্নীত না করতে পারব, ততদিন আমাদের কালচারাল সার্বভৌমত্ব গভীর হুমকিতেই থাকবে।
একদা পাল ও দাস বৌদ্ধরা এই পার্থক্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েই,বাংলা সহ ভারত থেকে গুটিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ইতিহাসে এইরূপ নজির আরো আছে।
*
( মাহবুব রব চ্যেধুরী। ) TORONTO .