রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর প্রতিপক্ষের পা কেটে নিয়ে উল্লাস

ভোরের আলো ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারে লকডাউন ভেঙে জেলার নবীনগর উপজেলায় শত শত মানুষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে।

রোববার সকাল থেকে থেমে থেমে কয়েক দফায় নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের থানাকান্দি গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের একজনের পা কেটে হাতে নিয়ে আনন্দ মিছিলও করেছে অপর পক্ষ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান সাথে থানাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা কাউসার মোল্লার বিরোধ চলছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চলা এ বিরোধের জেরে রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। থেমে থেমে চলা এ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোবারক মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তির পা কেটে নিয়ে গ্রামে আনন্দ মিছিল করে এক পক্ষ। ওই মিছিল থেকে পায়ের বদলে মাথা কেটে নিয়ে আসার কথা বলতে শুনা যায় ভিডিওতে।

এছাড়াও সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মকবুল হোসেন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।

(ভোরের আলো/ফআ)