জার্মান হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাই রাজা, সঙ্গে ২১ উপপত্নী

থাইল্যান্ডের বর্তমান রাজা মহাভাজিরালংকর্ণ তার নিজস্ব কর্মচারীদের মাঝে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে এমন আতঙ্কে জার্মানির একটি হোটেলে সস্ত্রীক সেলফ কোয়ারেন্টিনে থাকছেন। তার আগে সন্দেহভাজন ১১৯ কর্মচারীকে দেশে ফেরত পাঠান তিনি।

নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে দক্ষিণ জার্মানির এক হোটেলে ২১ উপপত্নীকে নিয়ে ‘স্বেচ্ছা নির্বাসনে’ গেলেন থাইল্যান্ডের রাজা মহাভাজিরালংকর্ণ। থাই নাগরিকরা তাকে দশম রাম হিসেবেই চেনেন।

সাধারণত জার্মানিতেই বছরের বেশিরভাগ সময় কাটান রাজা দশম রাম। সম্প্রতি তাঁর পার্শ্বচরের মধ্যে ১১৯ জনকে কোভিড-১৯ আক্রান্ত সন্দেহে থাইল্যান্ডে ফেরত পাঠানো হয়েছে। উপপত্নী-সহ পারিষদ দলের অন্যদের নিয়ে বেভেরিয়ার গ্র্যান্ড হোটেল সনেনবিয়েখল-এ আপাতত সেলফ কোয়ারেনটাইনে রয়েছেন তিনি।

তাঁর চতুর্থ স্ত্রী তথা থাইল্যান্ডের বর্তমান রানি সুতিদা-ও এই হোটেলে বসবাস করছেন কি না, তা অবশ্য নিশ্চিত নয়। তবে বেভারিয়ার প্রাদেশিক প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে গোটা হোটেলই দখল করেছেন রাজা ও তাঁর অনুচরেরা। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের

এর আগে মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান আবদুল্লা সু্লতান আহমদ শাহ ও রানী টুঙ্কু আজিজা আমিনা মৈমুনা ইস্কান্দারিয়া তাঁদের অনুচরদের মধ্যে সংক্রমণ দেখা দিলে নিজেদেরকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এরপরেই স্বেচ্ছা নিভৃতবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৬৭ বছরের থাই নৃপতি।

এদিকে মালয়েশিয়ার রাজ দম্পতির নমুনায় সংক্রমণের চিহ্ন পাওয়া না গেলেও তাঁরা নিজ সিদ্ধান্তে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁদের সংক্রমিত অনুচরদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। রাজপ্রাসাদে কিভাবে করোনা ভাইরাস ছড়ালো সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাশাপাশি, সংক্রমণমুক্ত করার উদ্যোগ চালু হয়েছে মালয়েশিয়ার রাজপ্রাসাদে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাণহানি হয়েছে ২১ জনের।