বিশ্বনাথে প্রবাসীদের উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে ‘ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’

যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের উদ্যোগে সিলেটের বিশ্বনাথে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’। ২০২০ সালে বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের বাইপাস সংলগ্ন ৫বিঘা জমিতে এ হাসপাতালটি নির্মাণ করা হবে। এতে প্রথামিকভাবে ব্যায় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫কোটি টাকা। হাসপাতাল নির্মাণের ফলে বিশ্বনাথের গরিব ও অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে, মধ্যবিত্ত রোগীদের স্বল্প মূল্যে এবং উচ্চবিত্ত রোগীদের নির্ধারিত ফি প্রদানের বিনিমিয়ে চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হবে।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের টাওয়ার হেমলেট্স’র সাবেক স্পিকার ও কাউন্সিলর মোহাম্মদ আয়াস মিয়ার বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটিশ রেজিষ্টার্ড চ্যারেটি সংস্থা ‘দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’ কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান মো: মঈন উদ্দিন আর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্রিটিশ রেজিষ্টার্ড চ্যারেটি সংস্থা ‘দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’র সেক্রেটারী জেনারেল ও ডাইরেক্টর অব ফাইন্যান্স কাউন্সিলর মোহাম্মদ আয়াস মিয়া।

লিখিত বক্তব্যে আয়াস মিযা বলেন, ২০১৫ সালের জুন মাসে যুক্তরাজ্যে এ সংস্থার আত্মপ্রকাশ ঘটলেও ২০১৭ সালের মার্চ মাসে বিশ্বনাথে ‘ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক’র মাধ্যমে হাসপতাল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু হয়। হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’ নির্মাণ করা হলে বিশ্বনাথের ২লক্ষাধিক জনসাধারণসহ বৃহত্তর সিলেটের ১কোটি জনসাধারণ উপকৃত হবে। এছাড়া হাসপাতালে অন্যান্য চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি গর্ভকালীণ মাতৃসেবা ও এলার্জি সংক্রান্ত রোগের জন্য বিশ্বমানের অত্যাধুনিক সম্পুর্ন আলাদা দু’টি ইউনিট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিষ্টা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চ্যারিটি সংস্থ্যার বিশ্বনাথের কোঅর্ডিনেটর রোটারিয়ান কবি নাজমুল ইসলাম কমবুল, সাংবাদিক তজম্মুল আলী রাজু ও প্রেসক্লাবের সভাপতি মোসাদ্দিক হোসেন সাজুল। সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুস সালাম আক্তার, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, বর্তমান সহ-সভাপতি আশিক আলী, কোষাধ্যক্ষ আক্তার আহমদ শাহেদ, প্রচার সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য শুকরান আহমদ রানা, আব্দুস সালাম, বদরুল ইসলাম মহসিন ও মোশাহিদ আলী।