মন্ট্রিয়লের ট্যালেন্ট শো প্রথম আসরেই বাজিমাত

গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যাটা মন্ট্রিয়লের বাংলাদশেী কমিউনিটির জন্য ছিলো ইতিহাসে লিখে রাখার মতো এক সন্ধ্যা। বাংলাদেশের আদলে ক্ষুদে শিল্পীদের নিয়ে আয়োজিত হলো ট্যালেন্ট শো’র গ্র্যান্ড ফিনালে। প্রতিযোগিতাটি প্রথম রাউন্ড থেকে মন্ট্রিয়লবাসীর মন জয় করে নেয়। বাংলাদেশ সোসিও কালচারাল ফোরাম (বিএসসিএফ) এ প্রজন্মের প্রতিভা অন্বেষণের এ উদ্যোগ সর্বত্র প্রশংসিত। যোগ্য ও বিজ্ঞ বিচারক, পরিবেশনা, প্রতিযোগিতা, অনলাইন ভোট, দর্শক ভোট ট্যালেন্ট শো’কে করেছে সমৃদ্ধ এবং জনপ্রিয়।

গ্র্যান্ড ফিনালে সঙ্গীতে ৪ জন এবং নৃত্যে ২ অংশ নেন। বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী কোকিলা দত্ত, সঙ্গীত শিল্পী মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, বাংলাদশ থেকে আমন্ত্রি জনপ্রিয় ফোক গানের শিল্পী সেলিম চৌধুরী এবং সিনিয়র নৃত্য শিল্পী কাত্যায়নী অধিকারী। চরম উত্তেজনাপূর্ণ এ প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায় ৮০ শতাংশ ও দর্শকদের রায় ২০ শতাংশ মিলিয়ে ট্যালেন্ট শো’র গ্র্যান্ড ফিনালে চ্যাম্পিয়ন হন ৭ বছরের ক্ষুদে নৃত্য শিল্পী শায়লি দাস গুপ্তা। প্রথম রানারআপ হয় ওম দাস। দ্বিতীয় রানার আপ পুরষ্কার জয় করে নেন সপ্তর্ষী বড়ুয়া। বিজয়ীদের হাতে যথাক্রমে ৫০০, ৩০০ ও ২০০ ডলারের প্রাইজমানিসহ ক্রেস্ট তুলে ধরা হয়। গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশগ্রহণকারী অন্য তিন প্রতিযোগী ছিলেন শ্রীতপা দাস, সিসিলা দাস ও শ্রীমা দত্ত। প্রতিযোগিতা পর্বের পাশাপাশি ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মন্ট্রিয়লের দর্শকদের মন জয় করে নেন বাংলাদেশ আইডল মারজিয়া তুরিন ও বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সেলিম চৌধুরী। বাদ্যযন্ত্রে সহযোগিতা করেন গিটারে রকেট, তবলায় ঝলক চৌধুরী, ড্রামে লিটন ডি কস্টা, কীবোর্ডে মেহদী ফারুক এবং বেঞ্জুতে তারিকুল ইসলাম। মধ্যরাত পর্যন্ত মন্ট্রিয়লবাসী প্রাণভরে উপভোগ করেন জমকালো এ আয়োজন। পুরো অনুষ্টানটি উপস্থাপনায় ছিলেন সেথী নাকিব ও মিলকী ফারুক।

 

ছবি কৃতজ্ঞতা : সিবিএনএ