মন্ট্রিয়লে আইয়ুব বাচ্চু স্মরণে অন্য রকম কনসার্ট

সদ্যপ্রয়াত বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু স্মরণে অন্যরকম একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দিলো মন্ট্রিয়লের কিছু তরুণ। ‘আইয়ুব বাচ্চু ফ্যানস মন্ট্রিয়ল’ এর ব্যানারে আয়োজিত এই মিউজিক্যাল শো’টি ছিলো অনেকটা বাংলাদেশের আদলে ইনডোর কনসার্ট। লং উইকেন্ডে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাথে সাংঘর্ষিক না করে কনসার্টের আয়োজন করা হয় সোমবার বিকাল ৫টায়। প্রচলিত সময়ের তারতম্য না ঘটিয়ে অনুষ্ঠান যথাসময়েই শুরু করা হয়। শুধুমাত্র আইয়ুব বাচ্চুকে উৎসর্গ করা এই কনসার্টটিতে আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশন করা হয়। এসময় উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান অনুষ্ঠানটির আয়োজক এবং ব্যান্ডের ড্রামার তানভীর ইউসুফ রনী।

পরীক্ষামূলক ভাবে করা অল্প পরিসরের এই কনসার্টে ভালোই সাড়া পাওয়া গেছে। এতো কর্মব্যস্ততার মধ্যেও বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে মিউজিক করা শিল্পীদের ঐক্যবদ্ধ করে একটি মিউজিক্যাল শো উপহার দেয়ার জন্য উপস্থিত দর্শকরা ব্যান্ডের সবাইকে ধন্যবাদ জানান। মন্ট্রিয়লের জনপ্রিয় উপস্থাপক লাভলু আখন্দের সঞ্চালনায় স্মৃতিচারণের জন্য মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয় প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর ছোটবেলার বন্ধু মন্ট্রিয়ল প্রবাসী সারোয়ার হোসেনকে। তিনি আইয়ুব বাচ্চু এবং তাঁর বন্ধুত্বের কয়েকটি স্মৃতির কথা দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করেন। মন্ট্রিয়লে বসবাসরত আরেকজন সিনিয়র শিল্পী এবং পপগুরু আজম খানের ব্যান্ডের গিটারিস্ট রকেটও আইয়ুব বাচ্চুর সাথে তাঁর স্মৃতির কথা তুলে ধরেন।

শেষ বক্তা হিসেবে মঞ্চে আসা মন্ট্রিয়লের এক সময়ের আরেকজন সংগীতশিল্পী রুহুল আমিন রুবেল বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে মন্ট্রিয়লে একটি বাংলাদেশী ধাঁচের ব্যান্ডের অনেক প্রয়োজন ছিলো, এবং আজ থেকে সেই ঘাটতি পূরন হলো বলে আমি মনে করি। সংক্ষিপ্ত সময়ের এই কনসার্টটিতে মোট ৯টি জনপ্রিয় গান পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তানভীর ইউসুফ রনী দর্শকদের সাথে ব্যান্ডের অন্যান্য সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন। ব্যান্ডের লীড গিটারিস্ট ও ভোকাল ছিলেন ইমতিয়াজ মাসুদ জিকো, লীড গিটারিস্ট মাহবুব আলম রাসেল, রিদম গিটারিস্ট ইমতিয়াজ জোহান, ব্যাস গিটারিস্ট রকেট, কিবোর্ড ইয়াসির হায়দার কলিন এবং ড্রামসে ছিলেন তানভীর ইউসুফ রনী। ট্রিবিউট ইভেন্টের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন রুপম বাবলা। সাউন্ড সিস্টেম তত্বাবধান ও স্ক্রীন পরিচালনায় ছিলেন মোঃ নাজুল ইসলাম আবদুল্লাহ।