টরন্টোয় অন্যরকম সবজি প্রদর্শনী

টরন্টো, ০২ অক্টোবর, বুধবার ২০১৯: কুতুবউদ্দিন পেশায় কৃষিবিদ হলেও রউফ খান মুলত ব্যাংকার। এই সামারে রউফ খানের টরন্টোর বাড়ীর আঙিনাটা দেশি-বিদেশি শাক-সবজিতে ছিল ভরপুর। হরেক রকমের এই সবজিণ্ডলো তিনি একে একে জমা করেছেন টরন্টোয় সবজি উৎপাদনকারীদের উৎসবে প্রদর্শনীর জন্য। ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার, টরন্টোর ডেনফোর্থস্থ এক্সেসপয়েন্টে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে রউফ খানসহ বিশজন তাঁদের নিজ উৎপাদনকৃত সবজি প্রদর্শনীর জন্য নিয়ে আসেন। আর বিচারকমণ্ডলীর বিবেচনায় কুতুবউদ্দিন প্রথম, রাবেয়া আহমেদ দ্বিতীয় হলেও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন রউফ খান।


টরন্টোয় বেসরকারি সংস্থা কানাডিয়ান সেন্টার ফর ইনফরমেশন এন্ড নলেজ মুলত প্রথমবারের মতো সবজি উৎপাদনকারীদের এই উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে পার্টনার সংগঠন ছিল আবাকান, এক্সেস এলায়েন্স, বায়েস ও পেস। অনুষ্ঠানে স্থানীয় এমপিপি ডলি বেগম, সিটি কাউন্সিলর ব্র্যাড ব্র্যাডফোর্ড, কবি আসাদ চৌধুরী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসমা আহমেদ, ব্যবসায়ী ফরিদা হকসহ কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার বিপুল সংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বাংলাদেশ টরন্টোর শিল্পীদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দলীয় সংগীত, নাচ, আবৃত্তি ও গম্ভীরা পরিবেশন করে শিল্পীরা দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন।
টরন্টোয় কৃষিবিদদের সংগঠন আবাকানের সভাপতি কামাল মুস্তফা হিমু বলেন, সত্যিই এটি একটি অসাধারন আয়োজন যা আমাদের অভিভুত করেছে। এই দূর পরবাসে সহযোগিতা ও সমম্বয়ের এক প্রকৃষ্ট উদাহরন। কানাডিয়ান সেন্টারের পরিচালক ও এই অনুষ্ঠানের সমম্বয়ক তৌহিদা চৌধুরী বলেন, সার্ভিস কানাডার সহায়তায় সাউথ এশিয়ান সিনিয়রস ফর সিনিয়রস নামে আমরা একটি প্রকল্প হাতে নিই। তারই অংশ হিসেবে এই আয়োজন। আমাদের মুল উদ্দেশ্য ছিল বয়স্কদের এই সামারে সবজি চাষের সাথে সম্পৃক্ত করা। এ লক্ষে ইতোমধ্যে বেশকিছু কর্মশালা পরিচালনা করেছি। সবজি চাষে উৎসাহিত করেছি। আর তাঁদের চাষকৃত সবজি নিয়ে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ সবজি প্রদর্শনকারী তিনজনকে নগদ অর্থ ও সার্টিফিকেটসহ পুরস্কৃত করা হয়। কানাডিয়ান সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভবিষ্যতেও কমিউনিটির উন্নয়নে তারা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি অব্যহত রাখবে।