লাসালে শামস উদ্দীনের শখের কৃষি বাগান

বাগান মানেই যে ফুলে ফলে ভরা বিশাল কোনো জায়গা হবে তা নয় ৷ প্রকৃতিকে ভালোবাসলে যে কেউ ছোট্ট বাড়ি বা ফ্ল্যাটে থেকেও বাগানের সাধ মেটাতে পারেন।
শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে, নিরিবিলি পরিবেশে ছোট্ট একটি বাগানের শখ বা প্রকৃতির সাথে খানিকটা বন্ধুত্ব গড়তে কার না মন চায়! তবে কানাডার মতো শীতপ্রধান দেশে বাগান করার সময়কাল মাত্র কয়েক মাস। তাই বাগানটি ফুলে ফলে, সব্জিতে ভরে তুলতে বসন্ত আসার সাথে সাথেই বাগানের কাজ শুরু করে দেন প্রবাসী বাঙালীরাসহ কানাডিয়ানরা। যেন গ্রীষ্মকালের সুন্দর আবহাওয়ায় বাগানে বসে সকালের নাস্তা করা, বন্ধুবান্ধদের নিয়ে বার্বিকিউ করা, রোদ পোহানো বা বাগানের সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেন।


সিলেটের শামুস উদ্দীনের মতো আমাদের বাঙালিদেরও কেউ কেউ কিন্তু বাংলাদেশ থেকে বীজ এনে পরম মমতা আর যত্নে বিদেশের মাটিতেও ফলান লাউ, সীমের মতো দেশি সব্জি সেসব শুধু লাউ, কুমড়ো নয়, যেন দেশের প্রতি জমে থাকা টুকরো টুকরো ভালোবাসা, যা তাঁরা অন্যান্য বাঙালি বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে খান।
মন্ট্রিয়লের পরিচিত মুখ শামুস উদ্দিন জানান, দেশে থাকা অবস্থায় আমার শাক-সবজিসহ কৃষিকাজের প্রতি অন্যরকম আগ্রহ ছিলো। বিদেশেও থেমে থাকতে পারিনি। নাড়া দিয়ে উঠে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা। আর সেই ভালোবাসা থেকে মন্ট্রিয়লে প্রতি বছরই আমার বাসার পিছনে শখের বাগান করি। সবুজের মাঝে থাকতে ভালোই লাগে। বাগানে যখন সব্জি আসে অন্যরকম ভালো লাগে।