রোহিঙ্গা জীবন, বড় কষ্টের

 

মাহবুব চৌধুরী রব এর লেখা

 

দই খেয়ে যায় ননী পালে ,

হাত মুছে সে – বোবার গালে।

রোহিঙ্গাদের নিয়েও – এই খেলা চলছে।

বোবা ‘ – মুখে রা ‘ নেই।

চলছে উদোর পিন্ডি বুধর ঘাঁড়ে – চাপানর

সুক্ষ প্রচেষ্টা। বিভিন্ন ভাবে তা চলছে ।

বার্মা জেনোসাইড চালিয়েছে নারকীয় ভাবে।

এর পরিপেক্ষিতে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা এসেছে।

নেয্যতার ভিত্তিতে – সারা বিশ্বে যা – সাধারণ ভাবে

গ্রহণ যোগ্য , সেই বিচারেই বার্মাকে ফিরিয়ে নিতে

হবে রোহিঙ্গাদের। এখানে বিষয় টিকে বিভিন্ন ভাবে

ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রোহিঙ্গা বিরোধী মন ভাব উস্কে দেবার

প্রচেষ্টা যে – যে পথেই চালাননা কেন, তা-ই রোহিঙ্গা ফোবিয়া।

পদলেহনে অভ্যস্ত মানুষেরা- দুর্বল শক্তিহীনের প্রতি নির্দয়, নির্লজ্জ, নিষ্ঠুর ও আচরণে, দাসত্ব সিনড্রোম প্রকাশ করেন ।

রোহিঙ্গারা শুধু মাত্র- তাদের নাগরিকত্বের অধিকার, মানবিক অধিকার এবং জীবনের নিরাপত্তা ফিরে চায় ! সব খানে – সব সময়। এটাই সরল, প্লেইন ট্রুথ। এটুকুই তাদের চাওয়া, এই নুন্যতম অধিকারের কথা এড়িয়ে ওদের উপর বিভিন্ন ভাবে দোষারপ করে মূল বিষয়টিকে যারা ঢেকে রাখতে চাইছেন – তারা মতলবি ?

ছোট্ট পরিসরে মিলিয়ন দুর্বল, সহায়হীন, শিক্ষার অভাব গ্রস্ত মানুষের মাঝে বিভিন্ন ত্রূটি বিচ্যুতি খুঁজে পাওয়া কঠিন কিছুনা। এণ্ডলি সমস্যার বাই প্রোডাক্ট।

মূল সমস্যা সমাধানে হাত দিলে এণ্ডলি দুরি করনে ম্যাজিক লাগবে না। মূল কথা মূল সমস্যা সমাধানে ফোকাস দিতে হবে। রুট কজ- ভুলে- বিষয় টিকে ভুল দিকে, বিভ্রান্ত করান ঠিক না।

সব সমস্যা নিয়েই ভাবতে হবে- কিন্তু রুট কজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নয়। বার্মার নারকীয় জেনোসাইড থেকে জীবন বাঁচিয়ে রোহিঙ্গারা- বাংলাদেশে আশ্রয় পেয়েছে তা তাদের জন্য আশীর্বাদ, অনেক বড় পাওয়া। আর আমাদের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা। নিজ ঘর বাড়ি থেকে – রিফুজি ক্যাম্প- সুখের একথা কোন রিফুজিই কখন বলে না। রোহিঙ্গারাও তা বলছে না!

ওরা এইডস রুগী, মাদক, ইয়াবা ব্যবসায়ী, খুনি, সন্ত্রাসী, বেশ্যা, বছর বছর বাচ্চা দেয়, আমরা খাওয়াচ্ছি- কক্স বাজার দখল করবে- বাংলাদেশ দখল করবে, এই- রূপ ঢালাও প্রচার একটি- অপ প্রচার। রোহিঙ্গা ফোবিয়া। এই অপ প্রচারের বিরুদ্ধে বলা সবার কর্তব্য।

এই সব কারা করছে ? সূত্র কোথায় খুঁজে দেখুন। গত দু বছরে ওদের কষ্টের সম ব্যাথি আর মজাক উড়ান মানুষ কি ভাগ হয়ে যায় নি?

নারী ধর্ষণ, শিশু ধর্ষণ, ডিসি, ওসির ধর্ষণ, ণ্ডম, খুন, হাজার রকম সমস্যা দেশের ভিতর ও চারপাশে কি ঘটছে না? এণ্ডলি দেখেও নাবুঝার ভান ধরে, শুধু ওদের উপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে কি সমস্যার সমাধান হবে? ছোট্ট জায়গায় মিলিয়ন মানুষ

আবদ্ধ! তাদের কে যারা আইনের মাঝে , নিয়ম কানুনের মাঝে রাখার কথা তাদের সবাই কি যথাযথ ভাবে কাজ করছেন ? দায়িত্ব পালনের রেকর্ড ত তা বলেনা। নিত্য দিনই তা দেখছি। ক্যাম্প এলাকার দিকেই কি ইয়াবা বদির নাম শুনিনি? তারপরও শুধু মাত্র রোহিঙ্গা বিরোধী প্রচার যারা করছেন তারাই বিদ্বেষী। রোহিঙ্গা ফোবিয়া তে আছেন।

সমস্যা সমাধানে সমবেত ভাবে পথ খুঁজে পাওয়া টাই মূল কাজ । অপপ্রচারে লাভ শুধু বার্মার। বার্মা আমাদের মনস্তত এবং সামাজিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া অনেক গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এনিয়ে তাদের প্রচুর গবেষণা আছে। ওদের ধারনা সময়ে অভন্তরীন জনমত বিগড়ে দিয়ে – অধিকার হীন ভাবেই ফিরিয়ে নেওয়া যাবে রোহিঙ্গাদের।

করা যাবে দাস। আমাদের সামর্থ ও নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় – অসমর্থ হলে এখনই ওদের জন্য সেকেন্ড হোম খুঁজতে হবে ।

বাস্তবতা হচ্ছে সর্বত্র আজ দেশ থেকে দল আর দল থেকে বেক্তি বড় হওয়াতে এবং গণতন্ত্র শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি না পাওয়াতে আমাদের যত ধরনের বাণিজ্যিক এবং ভূ-রাজনৈতিক সম্ভাবনা- শক্তি- ণ্ডরুত্ব , অপরচুনিটি আছে সেণ্ডলো সব নাম মাত্র মূল্যে অন্যরা নিয়ে নিচ্ছে। আমরা তার সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পারছিনা। অর্থনীতি, ভূ-রাজনৈতিক বার গেন প্রকৃত অবস্থানের অনেক নিচেয় এসে নির্ধারিত হচ্ছে। স্বার্থ প্রতিযোগিতায় আমরা পিছিয়ে পড়ছি। জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় জাতীয় ঔককের বিকল্প নাই।

জাতিসংঘ , ইউনেস্ক , ও আই সি , কানাডা , অস্ট্রেলিয়া ,আমেরিকা , ব্রিটেন , জার্মান , মালয়েশিয়া , টার্কি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যারা আগ্রহ দেখিয়েছে তাদেরকে যুক্ত করেই সমাধান পেতে হবে। এবং তা হতে হবে যথা সম্ভব দ্রুত।